সেহেরী খাওয়ার সময় যেগুলো মানা উচিত

প্রকাশঃ জুন ২৪, ২০১৫ সময়ঃ ৭:৪৮ পূর্বাহ্ণ.. সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৯:১৯ অপরাহ্ণ

ডেস্ক রিপোর্ট, প্রতিক্ষণ ডটকম:

seheriসেহেরী রোজার  অবিচ্ছেদ্য একটি অংশ। এটা রোজার ভিত্তি। রোজায় দীর্ঘ সময় ধরে না খেয়ে থাকার ফলে শরীরে এমনিতেই ক্লান্তি ভর করে। একারণে সেহেরীতে চাই পরিপূর্ণ খাবার। অনেকেই অলসতা করে সেহেরীতে না খেয়ে কিংবা অল্প কিছু খেয়ে রোজা রাখেন যা রোজার কষ্টকে আরো বাড়িয়ে দেয়। রোজায় সুস্থ থাকতে সেহেরী খাওয়ার সময় যেগুলো মানা উচিত-

১. প্রচন্ড রোদ এবং গরমে দেহ পানিশূন্য হয়ে যায়, তাই সেহরিতে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করে নিন। প্রায় আধা লিটারের মতো পানি পান করবেন। প্রয়োজনে আরও বেশি পান করুন, কিন্তু এর চাইতে কম করবেন না।

২. দেহ পানিশূন্য হয়ে গেলে এমনিতেই এনার্জি কমে যায়, তাই এমন খাবার খেতে হবে যা দেহে এনার্জি ধরে রাখতে পারে। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার যেমন মাছ, মাংস, ডিম, দুধ খাবেন পরিমাণ মতো। এতে ক্ষুধার উদ্রেকও কম হবে এবং এনার্জিও থাকবে অনেক।

৩. আরও একটি উপায়ে সারাদিন দেহকে পানিশূন্যতার হাত থেকে বাঁচাতে পারেন, আর তা হলো সেহেরীর তালিকায় পানিসমৃদ্ধ ফল রাখা । প্রতিদিনের সেহেরীতে আনারস, কমলা, তরমুজ ইত্যাদি  ফল খান এতে করেও পুরো দিন সুস্থ থাকতে পারবেন।

৪. অনেকেরই সকালে চা-কফি পানের অভ্যাস রয়েছে, তারা রোজা রাখার কারণে সকালে চা-কফি পানের অভ্যাসটি সেহে্রীতেই নিয়ে আসেন। কিন্তু এই কাজটি করতে যাবেন না। চা-কফির ক্যাফেইন দেহকে পানিশূন্য করে ফেলে, তাই সেহেরীতে চা-কফি পান করা থেকে বিরত থাকুন।

৫. অনেকেই পাউরুটি বা শুকনো খাবার খেয়ে রোজা রাখেন যা গরমের এই রোজার সময়ে একেবারেই ঠিক নয়। বিশেষ করে প্রসেসড কার্বোহাইড্রেট খাবার, এটি স্বাভাবিকভাবে আপনার দেহে শক্তি সরবরাহ করবে কিন্তু খুব অল্প সময়ের জন্য। তারপর আপনার দেহকে পানিশূন্য করে একেবারেই এনার্জিবিহীন করে তুলবে। সুতরাং শুকনো ও প্রসেসড কার্বোহাইড্রেট থেকে দূরে থাকুন।

৬. মিষ্টি জাতীয় খাবার অতিরিক্ত খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। মিষ্টি খাবার আপনার দেহের এনার্জি লেভেল একেবারেই নষ্ট করে দেবে দিনের বেলায় যার কারণে আপনি দুর্বলতা অনুভব করবেন পুরো দিন।

৭. ভারী খাবার এবং অতিরিক্ত তেল চর্বি জাতীয় খাবার একেবারেই খাবেন না । বিশেষ করে খিচুড়ি, পোলাও বা বিরিয়ানি ধরণের খাবার তো নয়ই। কারণ এগুলো পুরো দিনই আপনার পেটের সমস্যা ও অস্বস্তির জন্য দায়ী থাকবে।

৮. খেজুর দেহের এনার্জি ধরে রাখার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি খাবার। খেজুর যে শুধুমাত্র ইফতারেই খেতে হবে এমন কোনো কথা নেই। সেহেরীর সময়েও দুটো খেজুর খেয়ে নিতে পারেন। এতে করে পুরো দিন দেহে এনার্জি পাবেন।

  প্রতিক্ষণ/এডি/পাভেল

আরো সংবাদঃ

সর্বশেষ সংবাদ

আর্কাইভ

October 2026
SSMTWTF
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31 
20G