ইরানে সতীত্ব প্রমাণে অস্ত্রোপচার

প্রকাশঃ ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৫ সময়ঃ ৪:৫৩ অপরাহ্ণ.. সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৭:৪১ অপরাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক,প্রতিক্ষণ ডট কম

26b03c330af757b5e7bde2df4f4c10afইরানে বিয়ের আগ পর্যন্ত একজন নারীর জন্য সতীত্বের মূল্য অপরিসীম। আগে কখনো সে অনৈতিক সম্পর্ক করেনি বিয়ের রাতে তা প্রমাণের জন্য তাই প্রয়োজনে অনেক মেয়ে অস্ত্রোপচারের দ্বারস্থ হয়।

 বুধবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে বিবিসি বাংলা। এতে বলা হয়, মাহনাজ হোসেন নামে ২১ বছরের এক তরুণী দেশটির উত্তরাঞ্চলে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিলেন।

 তিনি বলেন, ‘দুর্ঘটনায় আমার নিতম্বের হাড় ভেঙ্গে গিয়েছিল। হাসপাতালে আমি যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিলাম। কিন্তু আমার মা ডাক্তারকে বলছিলেন, আমার সতীত্ব ঠিক আছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখতে।’ মায়ের অনুরোধে পরীক্ষা করে সার্টিফিকেট দেওয়া হয় যে দুর্ঘটনায় মাহনাজ সতীত্ব হারিয়েছেন।

 ইরানের সমাজে এখনও অবিবাহিতা নারীর সতীত্বের গুরুত্ব অনেক। বহু পরিবার চায় তাদের ছেলের বউকে সতী হতে হবে, অর্থাৎ বিয়ের আগে তার যেন অনৈতিক সম্পর্ক না হয়।

 সতীত্বের প্রমাণ হিসেবে দেখা হয়, তার বিশেষ একটি পর্দা অক্ষত আছে কিনা। সেই পরীক্ষা করে সনদ দেয় আইএলএমও নামে ইরানের সরকারি একটি মেডিকেল সংস্থা।চাইলে বিয়ের আগে কনেপক্ষ থেকে সতীত্বের সেই সনদ বরপক্ষের হাতে তুলে দিতে হয়।

 অনেক সময় মেয়ের আপত্তি থাকলেও পরিবার জোর করে সতীত্বের পরীক্ষা করিয়ে থাকে। আর সে কারণে সেই পরীক্ষার আগে সন্দেহ থাকলে অনেক নারী অস্ত্রোপচার করে ওই পর্দা জোড়া লাগাতেও দ্বিধা করেন না।

 বিয়ের আগে অনৈতিক সম্পর্ক ইরানে বিশাল অপরাধ। শুধু যে সামাজিকভাবে নিষিদ্ধ তা নয়, এ ধরনের সম্পর্ক আদালতে প্রমাণিত হলে কঠিন সাজা হয়।

প্রতিক্ষণ/এডি/রাজু

আরো সংবাদঃ

আর্কাইভ

October 2026
SSMTWTF
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31 
20G