শীতে ত্বকের যত্ন

প্রকাশঃ ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১৫ সময়ঃ ৮:০৩ অপরাহ্ণ.. সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৮:০৬ অপরাহ্ণ

লাইফষ্টাইল ডেস্ক, প্রতিক্ষণ ডটকম:

careশীতে সবাই ত্বক নিয়ে ব্যস্ত হয়ে একটু ব্যস্ত হয়ে পড়েন। বিভিন্ন ধরনের ক্রিম, লোশন, ময়েশ্চারাইজার সংগ্রহের ধুম পড়ে যায় সবার মধ্যে।

শীতে অত্যন্ত আগ্রহভরে প্রসাধনী ব্যবহার করে থাকেন ত্বক সচেতন মেয়েরা। বেশির ভাগ মেয়ের ধারণা, শীতে ত্বকের যত্নে নামীদামি প্রসাধন খুবই দরকার। আসলে সাধারণের এই ধারণা পুরোপুরি ঠিক নয়। চলুন জেনে নিই শীতে ত্বকের যত্ন সম্পর্কে:

১. শীতে ঠোঁট এবং হাত-পা ফেটে যায়। গোসলের পর যদি হাত-পা এবং ঠোঁটে ময়েশ্চারাইজার লাগানো যায় তাহলে ঠোঁট ও হাত-পা ফাটবে না।
২. রাতে শোবার আগে পা গরম পানিতে ধুয়ে কোনো ক্রিম বা ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে তারপর ঘুমাতে যান।

৩. কোনো ক্রিম বা ময়েশ্চারাইজার দেওয়ার আগে সরষের তেল গরম করে লাগালে ত্বকের রুক্ষতা দুর হয়।

৪. যাদের দুধের সরে অ্যালার্জি হয় তারা লেবুর রসের মধ্যে গ্লিসারিন মিশিয়ে রাতে শোবার আগে হাত ও পায়ে লাগান। এতে ত্বকের রুক্ষতা দূর হবে।

৫. খুব গরম পানি দিয়ে গোসল করবেন না।

৬. লবণযুক্ত হালকা গরম পানিতে হাত-পা ধুলে ত্বক মোলায়েম থাকে।

৭. ঠোঁট ফেটে গেলে তার মধ্যে কাঁচা দুধ অথবা দুধের সর লাগান।

৮. পা কুসুম গরম পানিতে অল্প কয়েক ফোটা শ্যাম্পু ফেলে ভিজিয়ে রেখে শক্ত কিছু দিয়ে ঘষে ময়লা তুলে ফেলতে হবে।

৯. প্রচুর পরিমাণে পানি খান। ভেষজ চা এবং ফলের রসও আপনার ত্বকের জন্য অনেক উপকারী। এতে আপনার ত্বক কখনোই পানিশূন্য বা রুক্ষ হবে না।

১০. তেল সমৃদ্ধ ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। বিশেষ করে অর্গানিক তেল সব ধরনের ত্বকের জন্যই উপকারী। তেল ত্বকের পানিশূন্যতাকে রোধ করে।

১১. সানস্ক্রিন ব্যবহার করে ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা করুন। সূর্যের অতি বেগুনী রশ্মিতে শীতে আপনার ত্বকের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। খেয়াল করুন আপনার সানস্ক্রিনটি প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি কি না যাতে এটি ত্বককে ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করতে পারে।

১২. গোসলের সময় তেল ব্যবহার করুন। আপনি গোসলের সময় চাইলে আমলকীর তেল ব্যবহার করতে পারেন। কিংবা এক কাপ দুধে চার-পাঁচ ফোঁটা আপনার পছন্দমতো তেল মিশিয়ে নিয়ে গোসলের সময় ব্যবহার করতে পারেন। এতে আপনার ত্বক থাকবে মসৃণ এবং রুক্ষ হওয়ার ভয় থাকবে না।

প্রতিক্ষণ/এডি/মাসুদ

 

আরো সংবাদঃ

আর্কাইভ

October 2026
SSMTWTF
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31 
20G